২৬ মার্চ ২০২৬

বিতর্কিত বক্তব্যে পটুয়াখালীতে উত্তেজনা, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হট্টগোল ও প্রতিবাদ

Sanchoy Biswas
অপূর্ব সরকার, পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৬:২৫ অপরাহ্ন, ২৬ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৭:১০ পূর্বাহ্ন, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পটুয়াখালীতে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে “মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমান-এর কোনো অবদান ছিল না” — এমন মন্তব্য করেন জেলা জমিয়তে উলামার সভাপতি আব্দুল্লাহ হক কাওসারী। তার এই বক্তব্যে উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধা ও অতিথিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পটুয়াখালী শিল্পকলা একাডেমিতে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। বক্তব্য চলাকালে কাওসারীর উক্ত মন্তব্যের পরপরই মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বক্তব্যের নিন্দা জানান। এতে অনুষ্ঠানস্থলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন: ফতেহপুর জামশেদীয়া দরবার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

পরিস্থিতি শান্ত করতে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক স্নেহাংশু সরকার কুট্টি। তিনি বলেন, “আমি শাসক নই, সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান—বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, তাদের সম্মান ততদিন অটুট থাকবে।” তিনি রাজনৈতিক সহনশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করে সকলকে সংযত ভাষায় কথা বলার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, ভিন্নমত থাকলেও কাউকে ছোট করে কথা বলা উচিত নয় এবং সকলের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। বক্তব্যে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার ওপর জোর দেন।

আরও পড়ুন: গরু কাটার ‘খাইট্টায়’ কাস্টমস কর্মীর মরদেহ ১৫ টুকরো, গ্রেপ্তার ২

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারাও পরিস্থিতি শান্ত রাখার আহ্বান জানান। পরে আয়োজকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং অনুষ্ঠান পুনরায় শুরু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও মুক্তিযোদ্ধা মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।