ফেনীতে সোশ্যাল এইডের মাংস বিতরণ, উপকৃত ১,৬০০ পরিবার
ফেনীতে সোশ্যাল এইডের উদ্যোগে ১ হাজার ৬০০ পরিবারের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ করা হয়েছে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে গত ২৮ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচি পরিচালিত হয়।আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ফেনী সদর ইউনিয়নের ধর্মপুর আশ্রয়ণ ও আবাসন প্রকল্পের কমিউনিটি সেন্টার ও ঈদগাহ মাঠ, সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের আমিরাবাদ ভবানী চরণ লাহা স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠ এবং মতিগঞ্জ ইউনিয়নের সুলাখালী এলাকায় পৃথকভাবে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।কর্মসূচির আওতায় ফেনী সদর ইউনিয়ন, নবাবপুর ও মতিগঞ্জ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড, আশ্রয়ণ প্রকল্প, আবাসন, আদর্শগ্রাম ও চরাঞ্চলের দরিদ্র ও অসহায় পরিবার, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা, ইমাম-মুয়াজ্জিন এবং যারা কোরবানি দিতে পারেননি—এমন ১ হাজার ৬০০ পরিবারের প্রত্যেককে ২ কেজি করে গরুর মাংস প্রদান করা হয়।সোশ্যাল এইডের প্রোগ্রাম ম্যানেজার এম নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় সামাজিক, রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ঈদের দিন ফেনীর আশ্রয়ণ ও আবাসন প্রকল্প এলাকায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে মাংস বিতরণ সম্পন্ন হয়।সোনাগাজীর নবাবপুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল আলম জহির। সাংবাদিক জহিরুল হক খান সজীবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দাতা সংস্থা কারামা সলিডারিটি বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ আলী সোহেল।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সোশ্যাল এইডের টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর জিল্লুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক ফাহিম মুনতাসির, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, যুবনেতৃবৃন্দ এবং ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।কোরবানির মাংস পেয়ে উপকারভোগীরা আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা সোশ্যাল এইড ও কারামা সলিডারিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।আয়োজকরা জানান, কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফেনীতে ৬টি, সোনাগাজীর নবাবপুরে ১২টি এবং মতিগঞ্জের সুলাখালী এলাকায় ৩টিসহ মোট ২১টি গরু কোরবানি করা হয়। স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সার্বিক সহযোগিতায় তিন দিনের কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।মানবিক এ উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছে।





