চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর শরীরের পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

Sadek Ali
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৫:২২ অপরাহ্ন, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরে এক লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টায় মামলায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার নাম দেলোয়ার হোসেন। 

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫ টার দিকে শহরের দক্ষিণ তেমুহনী এলাকার একটি বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্ত দেলোয়ার একই এলাকার মৃত ধনু মিয়ার ছেলে।

আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, বালু জব্দ ও আটক দুই

ফুড কেমিক্যাল ব্যবসায়ী শাহেদ আলমের ভাষ্যমতে, তিনি লক্ষ্মীপুর শহরের উত্তর তেমুহনী এলাকার কালী বাজার সড়কে ব্যবসা করছেন। মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয় দেলোয়ার পেট্রলের বোতল নিয়ে তার দোকানে আসেন। এসময় তিনি দোকানের মালামালের ওপর পেট্রল ছিটিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ওই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার পাশে বসে থাকা ব্যবসায়ী কৃষ্ণপালের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পরে তাকে টেনেহিঁচড়ে মারধর করা হয়। এ সময় দোকানের কর্মচারী সোহাগ বাধা দিলে তাকেও মারধর করা হয়। আশপাশের লোকজন তাকে (শাহেদ) উদ্ধার করতে এগিয়ে গেলে দেলোয়ার, তার ছোট ভাই শাকিল ও ভাগিনা মুন্না দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। 

থানা পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শাহেদ বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এতে দেলোয়ারকে প্রধান করে শাকিল ও মুন্নাকে আসামি করা হয়। 

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলে হাসপাতালের আঙিনা নিজ হাতে পরিষ্কার করলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু

এদিকে চাঁদা দাবি ও ব্যবসায়ীদের মারধরের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, খবর পেয়েই আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি। এ ধরনের ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। এরপর থেকে বাজারের ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। 

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুর রহমান বলেন, ঘটনার পর খবর পেয়েই পুলিশ পাঠানো হয়। অভিযুক্তরা মাদকাসক্ত। ইতোমধ্যে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের ধরতেও অভিযান চলছে।