পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি: বিএসএফের উদ্ধার, ১০ যাত্রী দেশে ফিরেছে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় স্রোতের তোড়ে ভেসে ভারতীয় জলসীমায় চলে যাওয়া ১০ বাংলাদেশিকে জীবিত উদ্ধার করেছে বিএসএফ।
পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনেছে বিজিবি বলে জানিয়েছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান।
আরও পড়ুন: কর্ণফুলীতে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা, নিহত ৪
শনিবার বিকাল ৫টার দিকে সদর উপজেলার বাখেরআলী এলাকার আলীমনগর ঘাট থেকে মাঝিসহ ১২ জনকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জহুরপুরটেক গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়। মাঝ পথে পদ্মা নদীর প্রচণ্ড ঢেউ ও স্রোতে নৌকাটি ডুবে যায়।
এ সময় মো. ওয়াসিম (২৩) সাঁতরে একটি চরে উঠতে সক্ষম হন। অপর ১০ জন নদীর স্রোতে ভেসে ভারতীয় জলসীমায় চলে যান। পরে বিএসএফের টহল দলের একটি স্পিডবোট তাদের ভাসমান অবস্থায় জীবিত উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: সিংড়ায় বিদ্যুতের অভাবে অন্ধকার হাসপাতাল, টর্চ লাইটে চলছে চিকিৎসা
সন্ধ্যা ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে ৭১ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের খান্দুয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার বিষয়টি বাখেরআলী ও ফরিদপুর বিওপি কমান্ডারকে জানান।
পরে রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে ফরিদপুর বিওপি ও খান্দুয়া বিএসএফ ক্যাম্পের মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে উদ্ধার হওয়া ১০ জনকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে বিএসএফ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৩ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, 'স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের তাদের নিকটাত্মীয় মো. ইসমাইল হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা সবাই সুস্থ রয়েছেন।'
'উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মো. রাসেল (২৬), মো. ইব্রাহিম (৫০), সওদাগর (৪০), মো. ইব্রাহিম (৬০), সখিনা (৪৫), নিলুফা (৩৫), তানিয়া (২২) ও তাঁর ২০ দিন বয়সী শিশু সন্তান, সানাউল্লাহ (৯) এবং আল আমিন (৯)।'
তাদের সবার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জহুরপুর (বকরী পাড়া) গ্রামে।
এ ঘটনায় একই গ্রামের মো. মোস্তফা (৬০) এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানান বিজিবির ওই কর্মকর্তা।
এদিকে, বিপদের সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেছেন এলাকাবাসী বলে জানান, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ রবু।





