কিশোরগঞ্জে বন্দীদের আবাসন, খাবার, চিকিৎসা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন

Any Akter
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের সার্বিক কার্যক্রম ও বন্দীদের সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তিনি জেলা কারাগারের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বন্দীদের আবাসন, চিকিৎসাসেবা, রান্নাঘর, খাদ্যগুদামসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ ও সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান।

আরও পড়ুন: ভৈরবে সেরা বিদ্যালয়ের সম্মাননা পেল কমলপুর মোজাফফর বেপারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

জেলা প্রশাসক কারাগারের পুরুষ ওয়ার্ড, মহিলা ওয়ার্ড, শিশু ওয়ার্ড ও আমদানি ওয়ার্ডসহ বন্দীদের থাকার স্থানগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বন্দীদের আবাসন ব্যবস্থা, খাবারের মান, চিকিৎসাসেবা, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

পরে তিনি কারাগারের রান্নাঘর ও খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করে খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণ ব্যবস্থাও পর্যবেক্ষণ করেন। বন্দীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার ও প্রয়োজনীয় সেবা যথাযথভাবে নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আরও পড়ুন: লংলা কলেজে নজরুল বিষয়ক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক কারাগারে স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ ও মানবিক পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি বন্দীদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক কারাগারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে জেল সুপার জাহানারা বেগম এবং জেলার নাসির আহমেদ শিবু রঞ্জন সরকারের সঙ্গে কথা বলেন। তারা কারাগারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন।

পরিদর্শনকালে সহকারী সার্জন, ডেপুটি জেলার সেলিনা আক্তার রেখাসহ কারাগারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে কারাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কয়েকজন বন্দীর স্বজন বর্তমান জেল সুপার ও জেলার-এর ব্যবস্থাপনা ও সেবার বিষয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেন। তাদের ভাষ্য, বর্তমান জেল সুপার ও জেলার কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। বন্দীদের খাবার, চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।