শেষ হলো নির্বাচনী প্রচার

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৫২ অপরাহ্ন, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১২:৫২ অপরাহ্ন, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। গত ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই প্রচারাভিযান চলে টানা ২০ দিন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন হবে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে।

আরও পড়ুন: ৬ এপ্রিলের বৈঠকে নারী সংরক্ষিত আসনের তফসিলের সিদ্ধান্ত : রহমানেল মাছউদ

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও শেরপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুজ্জামান বাদল (৫১) গত ২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে মৃত্যুবরণ করায় ওই আসনের নির্বাচন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রাখার বিধান রয়েছে। এছাড়া ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, ভোটগ্রহণ শুরুর আগের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কেউ নির্বাচনী প্রচার চালাতে পারবেন না।

আরও পড়ুন: ঘিরে কড়া নজরদারি: মাঠে ২০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, নির্বাচনের ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা বন্ধ থাকবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। নির্বাচনে মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭৫ জন। সারা দেশে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৭৯টি।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন প্রার্থী। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ জন প্রার্থী নিয়ে ‘হাতপাখা’ প্রতীক ব্যবহার করছে। জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন প্রার্থী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এছাড়া জাতীয় পার্টির ১৯৮ জন প্রার্থী ‘লাঙ্গল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৩২ জন প্রার্থী ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন।