জামায়াত নেতার টাকা বহন ইস্যুতে ‘আমাকে মিসকোট করা হয়েছে’: ইসি সচিব
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ দাবি করেছেন, টাকা বহন সংক্রান্ত বিষয়ে তাকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘৫০ লক্ষ নয়, পাঁচ কোটি টাকা বহন করলেও কোনো অসুবিধা নেই’—এমন বক্তব্য তিনি দেননি।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি করেন।
আরও পড়ুন: নির্বাচনী ব্যয়ে জমা না দেওয়ায় ২১ জন এমপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়াচ্ছে ইসি
আখতার আহমেদ বলেন, কত টাকা বহন করা যাবে বা যাবে না—এ বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার এখতিয়ার তার নেই। তিনি বলেন, “এটা বলার অধিকার বা ক্ষমতা আমার নেই এবং আমি এ ধরনের কোনো বক্তব্য দিইনি।”
তিনি আরও জানান, একটি নির্দিষ্ট অর্থ জব্দের ঘটনার প্রসঙ্গে তার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “যারা এটি ইন্টারসেপ্ট করেছেন, অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তারাই অর্থের উৎস, পরিমাণ এবং ব্যবহারের উদ্দেশ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবেন।”
আরও পড়ুন: নির্বাচন ভবন ঘিরে অবৈধ কম্পিউটার-ফটোকপি দোকান গুঁড়িয়ে দিল ইসি
আইনি ব্যাখ্যার বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, “যারা অর্থ জব্দ করেছেন, তারাই এ বিষয়ে আইনি ব্যাখ্যা দেবেন। এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।”
উল্লেখ্য, বুধবার দুপুরে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানের কাছ থেকে ৭৪ লাখ টাকা জব্দ করে পুলিশ। এ ঘটনার পর নির্বাচনি আইনে নগদ অর্থ বহনের সীমা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইসি সচিবের বরাত দিয়ে একটি বক্তব্য প্রচারিত হয়। সেখানে দাবি করা হয়, টাকার উৎস ও ব্যবহারের খাত বৈধ হলে ৫০ লাখ নয়, এমনকি পাঁচ কোটি টাকা বহনেও কোনো আইনি বাধা নেই।
তবে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ ধরনের বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।





