দক্ষিণ পেরুতে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত
দক্ষিণ পেরুতে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের হিসাবে ৬ দশমিক ৭। তবে পেরুর জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট (আইজিপি) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৭ দশমিক ২ বলে জানিয়েছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির ।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০৮ কিলোমিটার গভীরে। আইজিপির ন্যাশনাল সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (সেনসিস) তথ্য অনুযায়ী, দেশটির আয়াকুচো বিভাগের পারিনাকোচাস প্রদেশের কোরাকোরার প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে ছিল ভূমিকম্পটির কেন্দ্র।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত
ভূমিকম্পের মাত্রা বেশ শক্তিশালী হলেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের স্থাপনা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পেরুর কর্তৃপক্ষ ও দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সংস্থাগুলো।
ভূতত্ত্ববিদরা বলছেন, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি অনেক গভীরে হওয়ায় ভূপৃষ্ঠে পৌঁছানোর আগেই এর শক্তির একটি বড় অংশ শোষিত হয়েছে। ফলে উৎপত্তিস্থলের আশপাশে কম্পনের তীব্রতা ছিল তুলনামূলকভাবে কম। মারকেলি স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ৩ থেকে ৪, অর্থাৎ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কম্পন অনুভূত হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশের বাজারেও বাড়তে পারে দাম
দক্ষিণ ও মধ্য পেরুর বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পের কম্পন স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে। এমনকি রাজধানী লিমাতেও কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। এ পরিস্থিতিতে পেরুর জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট (আইজিপি) নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে বাড়িতে জরুরি পরিস্থিতিতে বের হওয়ার পরিকল্পনা পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় জরুরি সামগ্রী প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থানের কারণে পেরুতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। দেশটিতে সাম্প্রতিক দশকগুলোর অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে ২০০৭ সালে। ওই বছর ইকা অঞ্চলে ৭ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ৬০০ মানুষ নিহত হন।





