চাঁদাবাজির মামলায় ইস্টার্ন হাউজিং কর্মকর্তা রিপন ৪ দিনের রিমান্ডে
রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় চাঁদাবাজির ঘটনায় মামলায় দেশের শীর্ষ রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের কর্মকর্তা রিপনকে গ্রেপ্তারের পর চার দিনের রিমান্ডে পুলিশ। গ্রেফতার রিপনের বিরুদ্ধে বিদেশে অবস্থানরত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের যোগসাজসে চাঁদাবাজির সহ-সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।
খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা সুজনের দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলায় রবিবার রিপনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
সোমবার (১৫ জুন) তাকে আদালতে হাজির করে ছয় দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে ইস্টার্ন হাউজিংয়ের প্রধান কার্যালয় থেকে রবিবার রিপনকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তাকে খিলগাঁও থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আরও পড়ুন: বার কাউন্সিল এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৯,২০১, তালিকায় জাইমা রহমান-আদিবা রুহুল
স্থানীয়দের দাবি, রিপন এলাকায় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। তিনি ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সিদ্দিকুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিভিন্ন প্রকল্পে জমি দখলসহ নানা কর্মকাণ্ডে রিপনকে ব্যবহার করা হতো। এ কারণে তাকে কোম্পানির কর্মকর্তা হিসেবে প্রধান কার্যালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, রাজধানীর রামপুরা এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্যা পলাশ’-কে গুলির ঘটনায়ও রিপনের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, হাতিরঝিল এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে কাইল্যা পলাশের সঙ্গে মারুফ সুলতান ও তার সহযোগীদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই তারা পলাশকে হত্যার সুযোগ খুঁজছিলেন।
ইস্টার্ন হাউজিং এর কর্মকর্তা রিপনের বিরুদ্ধে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নাম ভাংগে এলাকায় চাঁদাবাজি দখল বাজির ও প্রভাব বিস্তারে অভিযোগ রয়েছে।





