জাতীয় সমবায় দিবস: বঙ্গবন্ধুর দর্শন, সমবায়ে উন্নয়ন

Shakil
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, ০৫ নভেম্বর ২০২২ | আপডেট: ৭:১০ পূর্বাহ্ন, ০৫ নভেম্বর ২০২২
(no caption)
(no caption)

আজ শনিবার, ৫১ তম জাতীয় সমবায় দিবস। জাতীয় সমবায় দিবস সরকার ঘোষিত একটি জাতীয় দিবস। সমবায় সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা এবং সমবায় আন্দোলনে গতিশীলতা আনতে প্রতিবছর নভেম্বর মাসের প্রথম শনিবার দিবসটি দেশব্যাপী উদ্‌যাপন করা হয়।  

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গবন্ধুর দর্শন, সমবায়ে উন্নয়ন’।

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার –কথিত মানবাধিকার কর্মী অ্যান্ডি হলের নানামুখী অপতৎপরতা

সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত এই প্রতিপাদ্যটি ২০১৯ সাল থেকে একই রাখা হয়েছে। এর আগের বছর ২০১৮ সালের প্রতিপাদ্য ছিল 'সমবায়ভিত্তিক সমাজ গড়ি, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করি। '

বর্তমানে দেশে প্রায় ১ লাখ ৯৬ হাজার সমবায় সমিতি রয়েছে। এ সব সমবায় সমিতি শেয়ার ও সঞ্চয়ের মাধ্যমে পুঁজিগঠন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, উৎপাদন, বিপণন প্রভৃতি কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নসহ সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।  

আরও পড়ুন: খাদ্যে ভেজাল বিরোধী প্রতিষ্ঠানগুলো গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ৩ সদস্যের কমিটি

যথাযোগ্য মর্যাদায় সমবায় দিবস পালনে বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সমবায় দিবসের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আজ ভার্চ্যুয়াল উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রাম সমবায়ের মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কারণ, সমবায়কে তিনি (বঙ্গবন্ধু) উন্নয়নের অন্যতম প্রায়োগিক পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।

সেই লক্ষ্যেই তিনি গ্রামে-গ্রামে বহুমুখী কো-অপারেটিভ গড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু সমবায়ের আদর্শে দেশের উৎপাদন ব্যবস্থা তৈরি করে সাধারণ মানুষের স্বনির্ভরতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বপ্ন দেখেছিলেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানের ১৩(খ) নম্বর অনুচ্ছেদে সমবায়কে সম্পদের মালিকানার দ্বিতীয় খাত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন এবং সমবায়কে গণমুখী আন্দোলনে পরিণত করার ডাক দিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি দেশের জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে দরিদ্র, ভূমিহীন, নিম্নবিত্ত দুগ্ধ উৎপাদনকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণপূর্বক তাঁদের সমবায়ের মাধ্যমে সুসংগঠিত করতে ১৯৭৩ সালে ‘সমবায় দুগ্ধ প্রকল্প’ নামে একটি দুগ্ধ শিল্প উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করে পাঁচটি দুগ্ধ উৎপাদনকারী এলাকায় দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করেন। আজকের মিল্ক ভিটা তাঁরই সুদূরপ্রসারী উদ্যোগের ফসল।