থাইল্যান্ড যেতে চান আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেম, মেলেনি অনুমতি

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:১৯ অপরাহ্ন, ২০ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৩:১৯ অপরাহ্ন, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে করা আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এক সময়ের সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের করা আবেদনটি মঙ্গলবার শুনানি শেষে খারিজ করেন ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ।

মোয়াজ্জেম হোসেনের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী মো. রায়হান। শুনানিতে তিনি দাবি করেন, মোয়াজ্জেমকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলায় জড়ানো হয়েছে এবং তিনি কোনো রাষ্ট্রবিরোধী বা আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত নন।

আরও পড়ুন: নীলফামারীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হবে: প্রধান উপদেষ্টা

আইনজীবী আরও জানান, দুর্ঘটনায় পড়ে মোয়াজ্জেম হোসেনের স্পাইনাল কর্ডে গুরুতর আঘাত লাগে এবং সেখান থেকে তরল নিঃসরণ হচ্ছে। এ অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে যাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি তার চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারিত রয়েছে বলেও আদালতকে অবহিত করা হয়।

তবে শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি নাকচ করেন। বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

প্রসঙ্গত, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু মোয়াজ্জেম হোসেনকে এপিএস হিসেবে নিয়োগ দেন।

পরবর্তীতে মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, তদবির ও টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে শত কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বছরের ২১ এপ্রিল তাকে এপিএস পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরপর ২২ মে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মোয়াজ্জেম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। দুদিন পর আদালত তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্লক করার নির্দেশ দেন।