কারাগারে বেগম জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়: মির্জা আব্বাস

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:৫৬ অপরাহ্ন, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৬:৫৬ অপরাহ্ন, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থাকে স্বাভাবিক অসুস্থতা নয় বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তাঁর দাবি, একটি দীর্ঘমেয়াদি ও অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে বাধ্য হওয়ায় খালেদা জিয়া আজ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘রূপসী বাংলা আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতা ২০২৫’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: ৫০ গাড়ির শোডাউন, ছাত্রদল নেতা মাসুদ রানাকে অব্যাহতি

মির্জা আব্বাস বলেন, কারাগারে থাকাকালীন সময়ে খালেদা জিয়া সবসময় সতর্ক ছিলেন। তাঁর ভাষায়, কারাগারে স্লো পয়জন দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে—এ কারণেই তিনি বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করতেন। তিনি আরও জানান, ঢাকায় অবস্থানরত এক ভারতীয় সাংবাদিক তাঁকে বলেছিলেন, “আপনারা যা করছেন, তা অর্থহীন—উনি দুই বছরও বাঁচবেন না।” ওই সাংবাদিকের দাবি ছিল, এটা নাকি একটি সাজানো পরিকল্পনার অংশ।

তিনি বলেন, “তবুও আল্লাহর রহমতে তিনি এখনো বেঁচে আছেন, লড়াই করছেন।” খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় সবার কাছে দোয়া চান তিনি।

আরও পড়ুন: বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন অ্যাডভোকেট সৈয়দা শাহিন আরা লাইলী

মির্জা আব্বাস জানান, শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) রাত ১টার দিকে তিনি হাসপাতালে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা খালেদা জিয়ার পাশে ছিলেন। তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আজ তিনি আগের চেয়ে কিছুটা ভালো।”

দেশের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিদেশের একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করে এসেছে। তাঁর দাবি, এ মহলই বলছে আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হবে না— অথচ অতীতে বিএনপিকে বাদ দিয়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে নির্বাচন হবেই এবং তা আগামী ফেব্রুয়ারিতেই।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন, সাবেক সভাপতি এ বি এম রফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, নাসিম শিকদার এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম।

প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রামের এম হায়দার আলী প্রথম, ঢাকার শামসুল হক রিপন দ্বিতীয় এবং চট্টগ্রামের এম রাশেদ তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।