ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফুঁসছে সিলিকন ভ্যালি

Any Akter
প্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ৬:২১ অপরাহ্ন, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১:১০ অপরাহ্ন, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিদেশি কর্মীদের জন্য জনপ্রিয় এইচ-১বি ভিসা প্রার্থীদের সামনে বড় ধাক্কা এনেছে মার্কিন প্রশাসন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, এখন থেকে এই ভিসার জন্য নিয়োগদাতাদের নিবন্ধন ফি দিতে হবে ১ লাখ মার্কিন ডলার; যেখানে আগে তা ছিল মাত্র ২১৫ ডলার।

শুক্রবার হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়, নতুন নির্বাহী আদেশে শুধু ভিসা ফি নয়, বরং আরও বেশ কিছু কড়াকড়ি আরোপ করা হচ্ছে। সরকারের দাবি, বহু প্রতিষ্ঠান এই ভিসার অপব্যবহার করছে, যার ফলে মার্কিন নাগরিকরা কর্মসংস্থানে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

আরও পড়ুন: সারাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য বিএসসিপিএলসির সতর্কতা

কোন ভিসা এইচ-১বি?

এই ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ দেয়। আইটি, প্রকৌশল, চিকিৎসা, গণিত ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ভিসার ব্যবহার বেশি। প্রতিবছর ৬৫ হাজার নতুন ভিসা দেওয়া হয়, সঙ্গে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ হাজার কোটা থাকে।

আরও পড়ুন: ভুয়া অ্যাপে স্পাইওয়্যার ছড়ানোর অভিযোগ, ব্যবহারকারীকে সতর্ক হোয়াটসঅ্যাপের

ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি

হোয়াইট হাউসের তথ্যমতে, ২০০৩ সালে আইটি খাতে কর্মরতদের মধ্যে ৩২% ছিলেন এইচ-১বি ভিসাধারী, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫%-এর বেশি। অন্যদিকে কম্পিউটার সায়েন্স গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে বেকারত্ব বেড়ে ৬.১% হওয়ায় এই পরিস্থিতিকে "আমেরিকান কর্মীদের জন্য হুমকি" বলছে প্রশাসন।

সিলিকন ভ্যালির ক্ষোভ

এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে ইলন মাস্কসহ বহু প্রযুক্তি উদ্যোক্তা যুক্তরাষ্ট্রে কাজ শুরু করেছিলেন। টেক জায়ান্টরা বলছে, এই প্রোগ্রামই আমেরিকার প্রযুক্তি খাতকে সমৃদ্ধ করেছে। ফি হঠাৎ বাড়ানোয় ক্ষোভে ফুঁসছে সিলিকন ভ্যালি।

আশঙ্কা

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, নতুন সিদ্ধান্ত দক্ষ জনশক্তিকে কানাডা বা ইউরোপের মতো সহনশীল বাজারে ঠেলে দিতে পারে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, সিদ্ধান্তটি জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও মার্কিন নাগরিকদের স্বার্থ সুরক্ষার অংশ।