কাপাসিয়ায় ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের অভিযোগ: আটক দুই জামায়াত কর্মী মুচলেকায় ছাড়া

Sanchoy Biswas
কাপাসিয়া (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৯:১০ অপরাহ্ন, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৯:১০ অপরাহ্ন, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে স্থানীয় দুই জামায়াত কর্মী বিনা অনুমতিতে প্রবেশের অভিযোগে সেনাবাহিনীর হাতে আটকের পর মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

১১ ফেব্রুয়ারি বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নির্বাচনী মালামাল নিয়ে কর্মকর্তারা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় জামায়াত কর্মীরা মাঠে ঢুকে পড়েন। পরে সেনাবাহিনী এসে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেন।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বৈশাখী মেলা ঘিরে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার আব্দুস সাত্তার জানান, উপজেলা থেকে নির্বাচনের কাজে ব্যবহৃত মালামাল নিয়ে সিংহশ্রী ইউনিয়নের কপালেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিকাল সাড়ে ৫টার সময় প্রবেশ করেন। এসময় পিছন থেকে ওই এলাকার সবদর আলীর পুত্র নাসির উদ্দিন মাস্টার ও হেলাল উদ্দিনের পুত্র আমরিন রিপন অনুমতি ছাড়া কেন্দ্রে প্রবেশ করে। পরে কোনো এক ফাঁকে তারা চলে যান।

খবর পেয়ে টহলরত সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্রে আসেন। বিষয়টি জানার জন্য সিসি ক্যামেরার ফুটেজ অনুসন্ধান করা হয় এবং প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় কবির হোসেনকে দিয়ে পুনরায় তাদের কেন্দ্রে ডেকে আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জামায়াত কর্মীরা জানান, না বুঝে তারা মাঠে প্রবেশ করেছিল এবং তারা ভুল স্বীকার করেন।

আরও পড়ুন: সোনাগাজীতে লাইসেন্সহীন এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি, হাতেনাতে আটক ব্যবসায়ী

খবর পেয়ে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট সানিউল কাদের কেন্দ্রে আসেন এবং আটককৃতদের মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেন।

এছাড়া উপজেলার টোক নগর দারুল হাদিস আলিয়া মাদরাসা কেন্দ্রে বিনা অনুমতিতে প্রবেশের অভিযোগ উঠেছে। পরে স্থানীয় বিএনপি কর্মীদের প্রতিরোধে তারা সটকে পড়েন।

দুর্গাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ সোলায়মান মোল্লা জানান, উপজেলার নাশেরা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের আশপাশে ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির আকরাম হোসেন সরকার এবং সাখাওয়াত হোসেন বিকালে সন্দেহজনকভাবে ঘুরাফেরা করতে থাকেন। পরে তারা সাধারণ ভোটারদের টাকা দেওয়ার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে ধরে ফেলে। বিষয়টি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা সহকারী রিটার্নিং অফিসার, থানার ওসিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়েছেন।