৪৫ কিলোমিটার যানজট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, বৈরী আবহাওয়া এবং দুর্ঘটনার কারণে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) দিবাগত রাত থেকে শুরু হওয়া এই যানজট বুধবার (২৭ মে) সকাল নাগাদ মহাসড়কের প্রায় ৪৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে যানবাহন অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে, আবার কোথাও কোথাও দীর্ঘ সময় ধরে পুরোপুরি থমকে থাকছে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে শুরু করে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পাকুল্ল্যা পর্যন্ত মহাসড়কের দীর্ঘ অংশজুড়ে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। রাতে আকস্মিক বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হওয়া এবং বঙ্গবন্ধু সেতু ও এর সংযোগ সড়কে কয়েকটি যাত্রীবাহী ও মালবাহী গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়ার ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। দীর্ঘ সময় রাস্তায় আটকে থাকায় সাধারণ যাত্রীরা, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।
আরও পড়ুন: ফতেহপুর জামশেদীয়া দরবার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং রোদ উঠলে মহাসড়কের এই ধীরগতি ও স্থবিরতা কেটে যাবে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, রাতে হঠাৎ বৃষ্টি এবং ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত গাড়ির চাপের কারণেই মূলত এই জটলা তৈরি হয়েছে। তবে সেতু কর্তৃপক্ষ ও রক্ষণাবেক্ষণ দল দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: গরু কাটার ‘খাইট্টায়’ কাস্টমস কর্মীর মরদেহ ১৫ টুকরো, গ্রেপ্তার ২
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার জানিয়েছেন, মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে গাড়ির সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। বৃষ্টির কারণে চালকেরা সাবধানে ও ধীরগতিতে গাড়ি চালাচ্ছেন, যা যানজটের অন্যতম কারণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মাঠে কাজ করছেন এবং খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।





