ঢাবি-চীনের এসসিএসআইও’র মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই, সামুদ্রিক গবেষণায় জোরদার সহযোগিতা

Sanchoy Biswas
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৪:৫৫ অপরাহ্ন, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৬:৪৭ অপরাহ্ন, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সামুদ্রিক গবেষণা ও জ্ঞান বিনিময়ে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। University of Dhaka (ঢাবি) এবং South China Sea Institute of Oceanology (এসসিএসআইও)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গত রোববার (১২ এপ্রিল) চীনের নানশা ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি সই হয়। ঢাবির উপাচার্য A. B. M. Obaidul Islam এবং এসসিএসআইও’র মহাপরিচালক Chaolun Li নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

আরও পড়ুন: ঢাবির ফলাফল ওয়েবসাইটে ম্যালওয়্যার আক্রমণের অভিযোগ, তদন্তে আইসিটি বিভাগ

জানা গেছে, এই উদ্যোগ যৌথভাবে গ্রহণ করেছে ঢাবির International Centre for Ocean Governance (আইসিওজি) এবং এসসিএসআইও’র State Key Laboratory of Tropical Oceanography (এসকেএলটিও)। চুক্তির আওতায় দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গবেষণা সহযোগিতা জোরদার, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এসকেএলটিও’র পরিচালক Yan Du।

আরও পড়ুন: পহেলা বৈশাখে ঢাবি ক্যাম্পাসে কড়াকড়ি, রাতে বন্ধ থাকবে প্রবেশপথ

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এই সহযোগিতার মাধ্যমে সমুদ্র প্রবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য, উপকূলীয় ঝুঁকি মোকাবিলা এবং ব্লু ইকোনমি গভর্ন্যান্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি ট্রপিক্যাল সামুদ্রিক পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীলতা বিষয়ে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

এদিকে, চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষে ঢাবির উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল বর্তমানে চীন সফর করছে। সফরকালে তারা ১৩তম International Conference on Tropical Marine Environmental Changes (MEC) এবং ৬ষ্ঠ CLIVAR Climate Dynamics Panel (CDP) Annual Workshop-এ অংশগ্রহণ করেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশের মতো বদ্বীপভিত্তিক দেশের জন্য সমুদ্রকেন্দ্রিক গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সমন্বিত ও আন্তঃবিষয়ক গবেষণার বিকল্প নেই।”

তিনি আরও বলেন, এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে এবং ভবিষ্যতে যৌথ গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে।