ইবিতে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

Shahrier Islam Pallab
ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৩:৪৪ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৩:৪৪ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের নিচতলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী, সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. ইয়াকুব আলীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।

আরও পড়ুন: ঢাবি ক্যাম্পাসের পাঁচ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ২

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, প্রতিযোগিতাটি দুটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ক্যাটাগরিতে প্রথম থেকে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শহীদ জিয়াউর রহমান: সৈনিক থেকে রাষ্ট্রনায়ক’ শিরোনামে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে ২৯ জন শিক্ষার্থী রচনা জমা দেন। জমাকৃত রচনাগুলো এআই (AI) বিশ্লেষণ, প্লেজারিজম পরীক্ষা ও ম্যানুয়াল যাচাইয়ের মাধ্যমে মূল্যায়ন করে সেরা তিনজনকে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়। এ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী সামিউর ইসলাম। দ্বিতীয় হন শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ফাইহা মেহজাবিন তিষা এবং তৃতীয় হন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শীলা আক্তার।

অন্যদিকে, দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘সিপাহী-জনতার বিপ্লব: প্রেক্ষাপট ও ফলাফল’ শিরোনামে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে প্রথম স্থান অর্জন করেন ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ। দ্বিতীয় হন উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ বিন জুবায়ের এবং তৃতীয় হন মাস্টার্সের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাজমুল হোসাইন।

আরও পড়ুন: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান বলেন, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাই। সবাই ভালো লিখেছে এবং ভালো প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তবে প্রতিযোগিতায় কাউকে না কাউকে বাছাই করতে হয়। তাই যথাসম্ভব স্বচ্ছতা বজায় রেখে বিজয়ীদের নির্বাচন করা হয়েছে। বিশেষ করে শিশু-কিশোররা অনেক কষ্ট করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছে। অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে যে সময় ব্যয় করেছে এবং নিজেদের মেধার প্রয়োগ ঘটিয়েছে, তা তাদের প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ তাদের মননে ধারণ করে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতি গঠনে অবদান রাখবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি।

তিনি আরও বলেন, এ আয়োজনে অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোর ও তাদের অভিভাবকদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। অনেক কষ্ট করে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে আপনারা আয়োজনটিকে প্রাণবন্ত করেছেন। পাশাপাশি সফল অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট আয়োজকদেরও ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।