কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

Shahrier Islam Pallab
কুবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:৪৭ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৯:৫০ অপরাহ্ন, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার(৮ নভেম্বর) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র মজুমদার ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, ডিন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ঢাবি ক্যাম্পাসের পাঁচ স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ২

অনুষ্ঠানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, “৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংকটের মধ্যে সিপাহি-জনতার অংশগ্রহণে এ বিপ্লব সংঘটিত হয় এবং বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। পরবর্তী সময়ে তিনি দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন ও জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ নেন। দিবসটির মূল শিক্ষা হিসেবে তিনি দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য ও সংকট মোকাবিলায় সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।”

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কোষাধক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, “৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ স্মরণ করে তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের পরবর্তী বিভিন্ন অভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের পাশাপাশি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে অবদান রাখা ব্যক্তিদেরও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে প্রকৃত ইতিহাস জানতে হবে এবং ইতিহাসকে সামনে রেখে দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

আরও পড়ুন: স্কুল-কলেজে মাদক ও ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর নির্দেশনা মাউশির

সভাপতির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন বলেন, “আজকের এই আয়োজনে উপস্থিত হওয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজকের এই আয়োজনের মূল কথা ছিল, আমরা সাম্রাজ্যবাদবিরোধী  ও আধিপত্যবাদবিরোধী একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, একটি সার্বভৌম বাংলাদেশ। সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আজকের আয়োজন আমি এখানে সমাপ্ত ঘোষণা করছি।”