আগামীকাল থেকে মার্কেট-শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধের ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক বাজারে দ্রুত বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। একই সঙ্গে বিশ্বে তেল সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় অচিরেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দোকানপাট ও শপিংমলে আলোকসজ্জা এবং অপ্রয়োজনীয় বাতি বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। শনিবার রাজধানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সংগঠনের সভাপতি হেলাল উদ্দিন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
আরও পড়ুন: রপ্তানি খাতে ২,৫০০ কোটি টাকার নগদ সহায়তা ছাড়
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে এই জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে।
হেলাল উদ্দিন বলেন, “আমরা মনে করি, যেকোনো কারণেই হোক আমাদের এখন সাশ্রয়ী হতে হবে। আগামীকাল (রোববার) থেকে দেশের বিভিন্ন মার্কেটে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা হবে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় যেসব বাতি রয়েছে সেগুলোও বন্ধ রাখা হবে।”
আরও পড়ুন: কমলো এলপিজির দাম, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৩৪১ টাকা
উল্লেখ্য, বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে দেশে জ্বালানি তেল রেশনিংয়ের মাধ্যমে সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে।
তবে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, দেশে তেলের কোনো সংকট নেই এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, তেল মজুদ বা অবৈধভাবে স্টক করার চেষ্টা ঠেকাতে রোববার থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা হবে।





