ঢাকা-১১ আসনে শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে প্রচারণা শুরু ড. এম এ কাইয়ুমের
ঢাকা-১১ আসনে শহিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও দলের ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম।
প্রচারণাকালে তিনি বলেন, "জুলাই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের নিয়ে অনেকেই আজ রাজনীতি ও ব্যবসা করছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই—জুলাই শহীদদের পরিবার আমাদের পরিবারেরই সদস্য। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে, তাদের সঙ্গে নিয়েই আগামীর ঢাকা-১১ আসনকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ।"
আরও পড়ুন: দেশে মাদকাসক্ত ৮২ লাখ মানুষ : গবেষণা
ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক এই প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আরও বলেন, শহিদ পরিবারের সদস্যদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। অথচ বিগত সময়ে এই পরিবারগুলোকে রাজনীতি করা হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে শহিদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন, নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি ঢাকা-১১ আসনের সকল প্রার্থীর প্রতি আহ্বান জানান, অতীতের কাঁদা ছোড়াছুড়ি ও নোংরা রাজনীতি পরিহার করে একটি সহনশীল ও শালীন রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু তা যেন বিদ্বেষে রূপ না নেয়। আসুন, সকলে মিলেমিশে দেশ গড়ার অঙ্গীকার করি—ইনশাআল্লাহ।
আরও পড়ুন: নির্মাণাধীন ভবনের রড পড়ে যুবকের মৃত্যু, কনকর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা
বিএনপির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, বিগত ১৭ বছর উন্নয়নের নামে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট করেছে। এই সময়কালে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে, আইনের শাসন ছিলো না এবং দেশে গুম-খুনের সংস্কৃতি চালু ছিল। এসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার একদিন বাংলার মাটিতেই হবে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা।
তিনি আরও বলেন, মাফিয়াদের লুটপাটের কারণে আজ দেশ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে পড়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে রয়েছে। বিশেষ করে মা-বোনেরা দৈনন্দিন জীবনে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।
ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, ঢাকা-১১ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায়। তারা আর দমন-পীড়ন ও ভোটবিহীন নির্বাচন দেখতে চায় না। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ ভোটের মাধ্যমে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করবে—ইনশাআল্লাহ।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামীর ঢাকা-১১ আসন হবে উন্নয়নের একটি রোল মডেল। এখানে থাকবে ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও সামাজিক সম্প্রীতি। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি মানবিক, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত ঢাকা-১১ গড়ে তোলা হবে।
প্রচারণাকালে শহিদ পরিবারের সদস্যসহ ঢাকা-১১ আসনের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।





