শাবিপ্রবি ছাত্রীকে চেতনা নাশক ওষুধে অচেতন করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ২ কর্মী গ্রেপ্তার
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) এক ছাত্রীকে চেতনা নাশক ওষুধে অচেতন করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের সময় ভিডিও ধারণও করে ধর্ষণকারিরা।
এ ঘটনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত শান্ত তারা আদনান ও স্বাগত দাশ পার্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী।
আরও পড়ুন: সর্ব মিত্র চাকমার বিরুদ্ধে বহিরাগত শিশু-কিশোরদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) ভুক্তভোগী ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর অভিযোগ করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে রাত সাড়ে ৯ টায় তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক।
ওসি জানান, তাদের একজনকে ক্যাম্পাস থেকে এবং আরেকজনকে সুরমা আবাসিক এলাকা থেকে আটক করা হয়।
আরও পড়ুন: তেজতুরী বাজারে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুসাব্বির হত্যা: অস্ত্রসহ অন্যতম শ্যুটার গ্রেফতার
এর আগে কোতোয়ালি থানায় দুজনকে আসামি এবং একজনকে সন্দেহভাজন করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা করা হয়।
ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে ভুক্তভোগী এবং অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী সিলেট শহরের রিকাবিবাজারে একটি কনসার্টে গিয়েছিলেন। পরে তাকে চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে অচেতন করে একটি বাসায় নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে তাকে সেই ভিডিও ও ছবির সাহায্যে ব্ল্যাকমেইল করা হয় এবং ব্যাপারে কারো সঙ্গে কথা না বলতে হুমকি দেয়া হয়।
আটকদের মধ্যে আদনান বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হামলার ঘটনায় করা একটি মামলার আসামি।





