নান্দাইলে ইউএনওর সুলভ মূল্যের বাজার চালু, সাধারণ মানুষের স্বস্তি

Sanchoy Biswas
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ৩:৪৩ অপরাহ্ন, ১১ মার্চ ২০২৫ | আপডেট: ৯:২৫ অপরাহ্ন, ১০ জুন ২০২৬
সুলভ মূল্যের হাটবাজার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমিনা সাত্তার । ছবিঃ সংগৃহীত
সুলভ মূল্যের হাটবাজার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমিনা সাত্তার । ছবিঃ সংগৃহীত

পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে নান্দাইল উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১১ মার্চ) সুলভ মূল্যের হাটবাজার চালু করা হয়েছে। উক্ত হাটবাজার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমিনা সাত্তার। 

উপজেলা পরিষদ চত্বরে উক্ত হাটে ভোক্তাদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের পণ্যের সুলভ মূল্যের দোকান বসানো হয়। বাজার দর হতে কম মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ক্রেতারা বাজার উদ্বোধনের পর থেকেই প্রতিটি দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন। 

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় হাকালুকি হাওরে ১৪ জেলেকে জরিমানা, বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল-চাই জব্দ

স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে বসানো এই হাটে বাজারের চেয়ে কম দামে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষ সহজেই তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে পারছেন। এই হাটে উদ্বোধনের পর থেকে শত শত সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন। 

সরেজমিনে সুলভ মূল্যের বাজার ঘুরে দেখা যায়, উদ্বোধনের দিন সুলভ মূল্যের দোকানে প্রতি কেজি বড় রুই মাছ ২৫০ টাকা, ছোট রুই মাছ ২০০ টাকা, সিলবার কার্প বড় ১৭৫ টাকা, টমেটো ১০টাকা, কাঁচা মরিচ ৩৫ টাকা, চিনি ১১৮টাকা, ডাল ১০৫ টাকা, পেঁয়াজ ৩৫টাকা, রসুন ৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ১৫ টাকা ও প্রতি ডজন ডিম ১১০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। 

আরও পড়ুন: নান্দাইলে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল

সুলভ মূল্যের বাজারের পণ্য কিনতে আসা ক্রেতা রফিক ও দিন মজুর জুয়েল জানান, বাজারে দ্রব্য মূল্যের যে উর্দ্ধগতি বিরাজ করছে সেই মুহূর্তে এই সুলভ মূল্যের বাজারটি নিম্ন আয়ের মানুষ সহ সকলের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। বাজার থেকে সুলভ মূল্যে পণ্য কিনতে পেরে ভালো লেগেছে। তবে বাজারে তেল ও গোশত বিক্রির ব্যবস্থা করলে আরো ভালো হত। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সারমিনা সাত্তার বলেন, দোকানে রোজা উপলক্ষে মাংস শাকসবজি বিক্রয় করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। কোনো ধরনের মুনাফা না করে, শুধু কেনা দামে পণ্য বিক্রি করা হবে এই হাটে। বাজারে বিক্রেতাদের কোনো খাজনা দিতে হবে না। ১১তম রমজান থেকে মাস জুড়ে নিম্ন আয়ের মানুষ সহ সকলের জন্য এই বাজার উন্মুক্ত থাকবে। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।