দুই ভাই খালাস

সিলেটে শিশু ফাহিমা হত্যা: প্রধান আসামি জাকিরের মৃত্যুদণ্ড

Sadek Ali
সিলেট ব্যুরো
প্রকাশিত: ২:৩৮ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৩:৪৮ অপরাহ্ন, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সিলেটের বহুল আলোচিত চার বছরের শিশু ফাহিমা হত্যা মামলায় আসামি জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এছাড়া মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন দুই ভাই।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মহানগর শিশু সহিংসতা ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও বিশেষ জজ এ রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: মাধবপুরে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে পারাপার, দুর্ঘটনার শঙ্কা

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও মহানগর আদালতের পিপি মো. বদরুল আহমদ চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, চার বছরের শিশু ফাহিমা হত্যা মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু ওবায়দা এ রায় ঘোষণা করেছেন। রায়ে প্রধান আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে অতিরিক্ত সাজার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে মামলার অপর দুই আসামি আবুল কালাম ও জয়নাল আবেদীনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: কিশোরগঞ্জে তিতাসের হাই-প্রেশার গ্যাস লাইনে অবৈধ সংযোগ, দুই জমির মালিক গ্রেপ্তার

নিহত ফাহিমা আক্তার (৪) সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জাকির হোসেন একই এলাকার বাসিন্দা। সম্পর্কে নিহত ফাহিমার চাচা।

উল্লেখ্য, গত ৭ মে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামে প্রতিবেশী জাকির হোসেন সিগারেট আনতে পাঠানোর অজুহাতে চার বছরের শিশু ফাহিমাকে ঘরে আটকে ধর্ষণ করেন। এসময় শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে গলা টিপে হত্যা করে জাকির। পরে ধরা পড়ার ভয়ে মরদেহ সুটকেসে করে দু'দিন নিজ ঘরে লুকিয়ে রাখার পর গ্রামের একটি ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার দুই দিন পর ৮ মে ভোররাতে তার মরদেহ গ্রামের একটি ডোবার পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়। 

এ ঘটনায় ৮ মে জালালাবাদ থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়।

গ্রেফতারের পর জাকির হোসেন পুলিশের কাছে অপরাধ স্বীকার করেন। ঘটনার ৩৩ দিন পর জাকির ও তার দুই ভাইকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। পরবর্তীতে তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে গত ১ জুলাই থেকে মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। প্রায় এক মাসের বিচার প্রক্রিয়া শেষে আজ রায় ঘোষণা করা হলো।