শালবন বিহার–ময়নামতি জাদুঘরে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি

Sanchoy Biswas
মো. মাসুদ রানা, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭:০০ অপরাহ্ন, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৭:০০ অপরাহ্ন, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কুমিল্লার শালবন বিহার ও ময়নামতি জাদুঘরে ২০২৪–২৫ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আয় ইতিবাচকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। টিকিট বিক্রি, পার্কিং, ইজারা ও অন্যান্য খাত থেকে আয় বাড়ার পাশাপাশি দর্শনার্থীর উপস্থিতিও আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে শালবন বিহার ও ময়নামতি জাদুঘর প্রত্ন এলাকায় মোট রাজস্ব আয় হয়েছিল ১ কোটি ৩৫ লাখ ৮২ হাজার ৮২১ টাকা। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মোট রাজস্ব আয় হয় ১ কোটি ২৩ লাখ ৮৪ হাজার ৬৪৫ টাকা।

আরও পড়ুন: বাগেরহাটে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

গত অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আয় বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের আলোচ্য মাসে বিভিন্ন খাত থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৮৪ টাকা। আর আলোচ্য মাস পর্যন্ত মোট ক্রমবর্ধমান রাজস্ব আয় দাঁড়িয়েছে ৫১ লাখ ৩৯ হাজার ৩৮০ টাকা। এর মধ্যে নতুন অর্থবছরে ময়নামতি জাদুঘরের প্রবেশ টিকিট বিক্রি থেকে এসেছে ৬ লাখ ৮৬ হাজার ২৬০ টাকা এবং শালবন বিহারের প্রবেশ টিকিট বিক্রি থেকে এসেছে ৪১ লাখ ২২ হাজার ৮৮০ টাকা।

এছাড়াও রাজস্ব আয়ের খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রকাশনা বিক্রয়, গাড়ি পার্কিং টিকিট বিক্রি, গাড়ি পার্কিং ভ্যাট, বিশ্রামাগার ভাড়া, শুটিং, শুটিং ভ্যাট এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাসাভাড়া বাবদ আয়।

আরও পড়ুন: বগুড়ার উন্নয়নে শুধু ঘোষণা হয়েছে, কিছু বাস্তবায়ন হয়নি: আতিকুর রহমান রুমন

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কুমিল্লার শালবন বিহার ও ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. শাহীন আলম জানান, “দর্শনার্থীদের চাহিদা বিবেচনায় প্রতিবছর সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জাদুঘরের প্রদর্শনী আধুনিকায়ন, কিউআর কোড সংযোজন, তথ্যভিত্তিক ম্যাপ স্থাপন, নিরাপত্তা জোরদার এবং পার্কিং সুবিধা বাড়ানোর ফলে দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়ছে।”

তিনি আরও জানান, “এই অর্থবছরে আলোচ্য মাসের রাজস্ব আয় (২৬ নভেম্বর ২০২৫ হতে ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত) ১১ লাখ ৮৭ হাজার ২৮৪ টাকা হয়েছে। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আয় তুলনামূলকভাবে বেড়েছে।”

তার দাবি, গত অর্থবছরে জুলাইয়ের আন্দোলন, বন্যা ও নানা কারণে পর্যটকের সংখ্যা কম ছিল। তবে চলতি বছরে দর্শনার্থী ও পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে, সেই সঙ্গে রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে চলতি অর্থবছরের শেষ নাগাদ রাজস্ব আয় আরও বাড়বে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।