নির্ধারিত মূল্যে নরসিংদীতে পাওয়া যাচ্ছে না সিলিন্ডার গ্যাস
গৃহস্থালি রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয় এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার গ্যাস। আর এই সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে তা এখন বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। নরসিংদীতে গত কয়েকদিন ধরে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে এলপিজির দাম।
সিলিন্ডার গ্যাসের কৃত্রিম সংকট দেখা দেওয়ায় ক্রেতাদের প্রতি সিলিন্ডার সাড়ে ৩শ টাকা থেকে ৪শত টাকা বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। এমন অভিযোগ সিলিন্ডার ব্যবহারকারীদের।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় পুলিশের সাথে বিএনপি নেতার দুর্ব্যবহার ঘিরে সমালোচনার ঝড়
বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায়, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত খূচরা মূল্য ১২৫৬ টাকা হলেও সাড়ে ৩শ থেকে ৪ শত টাকা বেড়ে তা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১৬ শ টাকা।
বড়বাজারে খুচরা সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা চাহিদা দিলেও এলপিজির সরবরাহ নেই। তাই ক্রেতারা চাইলেও দিতে পারছেন না। ডিলারদের কাছ থেকে বাড়তি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। তাই তারাও বাড়তি দামে বিক্রি করছেন।
আরও পড়ুন: উলিপুর ৩ আসনের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই সম্পূর্ণ
এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করা দেলোয়ার মিয়া বলেন, সকালে এলপিজি শেষ হওয়ার পর স্থানীয় দোকানে গেলে সেখানে এলপিজি সিলিন্ডার নেই। কয়েকটি দোকান ঘুরে শেষে আরেকটি দোকানে সিলিন্ডার পাই। এক সিলিন্ডারের দাম দিতে হয়েছে সাড়ে ১৬ শ টাকা। হঠাৎ এমন দাম বৃদ্ধি চিন্তা করা যায় না।
করিমপুর থেকে সিলিন্ডার নিতে আসা সিদ্দিক মিয়া বলেন, করিমপুর বাজারে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই নরসিংদীতে আসলাম সিলিন্ডার নিতে। ১২ কেজির এক সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও দাম দিতে হয়েছে সাড়ে ১৬ শ টাকা। নির্ধারিত দামের চেয়ে ৪০০ টাকার বেশি গুনতে হয়েছে।
এবিষয়ে জানতে এলপিজি সিলিন্ডার পরিবেশক মনির খান বলেন, অধিকাংশ কোম্পানি সিলিন্ডার সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। হাতে গোনা কয়েকটি কোম্পানি এলপিজি সরবরাহ করছেন। ১ হাজার সিলিন্ডারের চাহিদা দিলে ২০০ থেকে ৩০০ সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অনেক কম। তারপর ট্রাক গিয়ে দিনের পর দিন বসে থাকছে, খরচ বাড়ছে। এছাড়া প্রতি সিলিন্ডারে কোম্পানি বাড়তি দাম নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন সাড়ে ৩০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা বাড়তি নেওয়ার তো কোনো সুযোগ নেই। তবে খুচরা বিক্রেতারা সামান্য কিছু বাড়তি নিতে পারে।





