পে-স্কেল নিয়ে শিক্ষকদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

Shahrier Islam Pallab
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:৩১ অপরাহ্ন, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৫:৩১ অপরাহ্ন, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিচার বিভাগের বিচারকদের জন্য বর্তমানে পৃথক পে-স্কেল বা বেতন কাঠামো চালু রয়েছে। একইভাবে ভবিষ্যতে শিক্ষকদের জন্যও স্বতন্ত্র পে-স্কেল প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত প্রথম স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুন: ঢাকা ব্যাংকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল হতে যাচ্ছে। তবে প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোয় মূল্যস্ফীতির সঙ্গে প্রত্যাশিত মাত্রায় সমন্বয় করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিসভায়ও আলোচনা হয়েছে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় ভবিষ্যতে বিচার বিভাগের মতো শিক্ষকদের জন্য পৃথক পে-স্কেল চালুর বিষয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর পর পে-স্কেল হচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ করে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে এর যথাযথ সমন্বয় করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীও উপলব্ধি করেছেন এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আড়ংয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

এহছানুল হক মিলন বলেন, সেই জায়গা থেকেই আমরা আগামী দিনের পরিকল্পনা করছি। বিচার বিভাগে যেভাবে পৃথক পে-স্কেল রয়েছে, একইভাবে শিক্ষকদের জন্যও একটি পৃথক পে-স্কেলের কথা আমরা ভাবছি। তবে এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি রাজনৈতিক সরকারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমরা ধীরে ধীরে সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাব।

শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব সমস্যা থেকে উত্তরণে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের বিষয়ে ইতোমধ্যে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

মন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের ৮ আগস্ট পর্যন্ত ২০২১ সাল থেকে শিক্ষকদের বকেয়া নিজস্ব কন্ট্রিবিউশনের অংশ ইতোমধ্যে তুলে দিয়েছি। সরকারের পক্ষ থেকে যে অংশ বাকি রয়েছে, তা সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী বাজেটগুলো পাওয়া গেলে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে।

সভায় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক এবং বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।